মধু পূর্ণিমা গাথা
শ্রী মধু পূর্ণিমা আজি মাধুরীমাময়,
চতুরদিকে মৃদু শীতল বায়ু বয়।
শাখে শাখে নাচে গায়ে নানা জাতের পাখী,
পুকুরেতে খেলে সুখে হংস চকাচকী।
বাগানেতে পুষ্প রাশি অতি মনোহর,
পুকুরেতে পদ্ম ফুল দেখিতে সুন্দর।
সবুজ ধানের মাঠে মৃদু বায়ু বয়,
দেখি তাহা চাষীদল আনন্দিত হয়।
একদিন ভগবান চিন্তায় করিল,
মূর্খ সঙ্গে বাস করা একথা ভাবিল।
বর্ষার পূর্বেতে বুদ্ধ পূর্বাহ্ন সময়,
পারিলেয়্য বন মাঝে উপনীত হয়।
একদিন হস্তীরাজ দেখে ভগবানে,
পূজিতে বাসনা করে প্রীতিফুল্ল মনে।
কি দিয়ে পূজিবে হস্তী ভাবে মনে মনে,
নানা ফল ফুল দিয়ে পূজে ভগবানে।
অরনা ঘর্ষনা করি অগ্নি উৎপাদিয়া,
সুসিদ্ধ করিয়া জল শুণ্ডেতে আনিয়া।
সেই জল দিয়ে হস্তী পূজে ভগবানে,
পুরিল মনের সাধ আনন্দিত মনে।
হস্তীরাজ শাখা গুচ্ছ শুণ্ডেতে ধরিয়া,
মৃদুমৃদু পাখা করে হেলিয়া দুলিয়া।
গজরাজ প্রতিদিন বুদ্ধকে পূজিত,
আনন্দে থাকিয়া তথা জীবন যাপিত।
এমন পূজার দৃশ্য করি দরশন,
পূজিতে আকুল হয় বানর তখন।
বনে বনে ঘুরে বানর দেখিতে দেখিতে,
দেখিলেন মধু চক্র গাছের শাখাতে।
মধু চক্র হাতে করি বনের বানর,
আসিয়া বুদ্ধকে পূজে হরিশ অন্তর।
এত ভক্তি এত শ্রদ্ধা বানরের মনে,
বনভূমি প্রকম্পিল সাদুবাদ দানে।
স্বর্গে থাকি মধুদান দেখে দেবগণ,
সাধুবাদ সহকারে পুষ্প বরিষণ।
আজি দিনে মোরা সবে হয়ে একমন,
আনন্দেতে মধু দান দাও হে এখন।
Disclaimer: We do not guarantee that the information of this page is 100% accurate and up to date.